২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,সকাল ১০:২২

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সৃষ্টিকর্ম সংরক্ষণ হবে এফডিসিতে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২

  • শেয়ার করুন

পল্লীর আভাস: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা ‘গার্ড অব অনার’ শেষে কিংবদন্তি সংগীত ব্যক্তিত্ব গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মরদেহ আনা হয় চলচ্চিত্রের আঁতুড়ঘর বিএফডিসিতে। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কবির মরদেহে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

এ সময় তিনি জানান, গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সৃষ্টিকর্ম এফডিসির নতুন ভবনে সংরক্ষণ করা হবে বলে।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এফডিসির নতুন ভবনে একটি জায়গা রয়েছে। সেখানে দেশের গুণী শিল্পী, গীতিকার, সুরকারদের সৃষ্টিকর্ম সংরক্ষণ করা হবে। সেখানেই গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সৃষ্টিও সংরক্ষণ করা হবে।’

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি আমাদের মাঝ থেকে চলে গেছেন, কিন্তু তার কালজয়ী সৃষ্টিগুলোর মাধ্যমে তিনি বেঁচে থাকবেন। আমি মনে করি যতদিন বাংলা গান থাকবে, ততদিন তিনি বেঁচে থাকবেন। তিনি অকালে চলে গেছেন। তেমন অসুস্থ ছিলেন না। হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি যদি থাকতেন, তাহলে আমাদের সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করে যেতে পারতেন।’

তথ্যমন্ত্রী ছাড়াও এ সময় গাজী মাজহারুল আনোয়ারের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানায় চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠনসহ গীতিকবি সংঘ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) সংগঠনগুলো।

এদিকে বিএফডিসিতে প্রথম জানাজা শেষে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মরদেহ নেওয়া হবে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। সেখানে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় জানাজা। এরপর কবিকে নেওয়া হবে গুলশানের আজাদ মসজিদে। সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

উল্লেখ্য, দেশ বরেণ্য গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ার গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। নিজ বাসার বাথরুমে যাওয়ার সময় জ্ঞান হারান গুণী এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। এরপর সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে। চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি স্ট্রোক করেছেন।

  • শেয়ার করুন